আজিজুল ইসলাম আজিজ :
“আমি এতোটা ছ্যাঁচড়া
তোমাকে ছাড়া বাঁচি না
বাঁশ দাও সেই ভালো
থাকবো নিঃশব্দে
জীবনটাই একটা বড় বাঁশ।”
উপরের কথা গুলো কবি তাবেদার রসুল বকুল রচিত “রাত শেষে মুঠোফোনে চার্জ নেই” গ্রহ্নের “ছ্যাঁচড়া” কবিতা থেকে নেয়া।
সেদিন ছিল কবি তাবেদার রসুল বকুল- কে নিয়ে সুহৃদ আড্ডা ও কবির লেখা চারটি গ্রহ্নের মোড়ক উন্মোচন। সাহিত্য আড্ডার প্রতি আগ্রহ থাকলেও ফেইসবুকীয় দাওয়াতে সাধারণত কোথায়ও যাইনা। আবার পেশায় ব্যাংকার হওয়াতে ইচ্ছা থাকলেও এসবে সময় দেয়া বেশ দুরূহ হয়ে পড়ে।
কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদে একটি অনুষ্ঠানে দেখা হয় কবি ও সংগঠক ইশরাক জাহান জেলী ভাবীর সাথে। তিনি দাওয়াত দিলেন ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য সংগঠন সাইক্লোন আয়োজিত ‘সুহৃদ আড্ডা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন’ অনুষ্ঠানে।
বেশ আগ্রহ ছিল বটে, তবে প্রথম বলে উপস্থিত হলাম একটু ইতস্তত করে। গিয়ে দেখলাম সেখানে অনেক গুণীজনের মিলনমেলা। সাইক্লোন সিলেট এর সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক জাবেদ আহমদ স্যারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জহিরুল হক। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিকরা তো ছিলেন’ই, এছাড়াও ছিলেন বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত উচ্চপদস্থ অনেক ব্যক্তিবর্গ।
কবি ও সাহিত্য সংগঠক ইশরাক জাহান জেলী’র প্রানবন্ত উপস্থাপনায় চলমান আড্ডায় একে একে মঞ্চে এসে কথা বলছেন গুণীজন আর আমি তন্ময় হয়ে শুনছি। অনুষ্ঠানের শেষের দিকে হঠাৎ মঞ্চে এই অধমের ডাক পড়লো! (এখন কোনো অনুষ্ঠানে গেলে পরিচিত জন তো মঞ্চে ডাকে আর অপরিচিত হলেও অনেকেই হয়তো দাড়ি পাকা দেখে মুরব্বি ভেবে ডেকে নেয়) কিন্তু এ অনুষ্ঠানে এই পর্যায়ে গিয়ে যে ডাক পড়বে আমার ভাবনার বাইরে ছিল।
মঞ্চে উঠলাম
অল্প কিছু কথা বললাম
অতঃপর নিচের লাইন গুলোর মাধ্যমে
সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে কথা শেষ করলাম-
গুণিজনের মিলনমেলায়
দাওয়াত দিলেন জেলী ভাবী
কেমনে ঘরে বসে থাকা যায়।
অবশেষে চলে আসলাম
কবি তাবেদার বকুল কে নিয়ে
আজকের সাহিত্য আড্ডায়।
আমি কবি নই সাহিত্যিকও নই
তবে বেশ ভালো লাগে
সামিল হলে সাহিত্য সভায়।
মুগ্ধতার অনুভূতি প্রকাশ করে
আমার কথা শেষ করলাম
সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছায়।
সেদিন যতক্ষণ ছিলাম সেই সময় বেশ ভালোই কেটেছে।
ধন্যবাদ জেলী ভাবীকে, সুন্দর একটি মূহুর্ত উপভোগের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। আবারও কোনো আয়োজনে শামিল হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আজকের মতো ইতি টানছি।