ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, নির্বাচনের আগে যেভাবে পাশে পাচ্ছেন, নির্বাচনের পরেও মানুষ আমাকে ঠিক সেভাবেই পাশে পাবেন।
আমি ভোটের সময়ের প্রার্থী নই, সব সময় মানুষের পাশে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। সিলেট-১ আসনের প্রতিটি মানুষের সমস্যা আমার নিজের সমস্যা বলে মনে করি। নির্বাচিত হলে প্রতিটি ওয়ার্ড, প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় নিয়মিত যোগাযোগ রাখব। সমস্যা শুনে বসে থাকব না, সমাধানের জন্য মাঠেই কাজ করব। এই এলাকার উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কোনো আপস হবে না। মানুষ যে আস্থা ও ভালোবাসা দিচ্ছেন, তার মর্যাদা রাখাই আমার দায়িত্ব। ইনশা আল্লাহ, ভোটের আগের মতো ভোটের পরেও আমি আপনাদের পাশেই থাকব। রবিবার সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ, মোগলগাঁও ও মাশুকবাজারে সহ নগরীতে পৃথক পৃথক জনসভা, পথসভা ও উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রচার কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজ, সহ-সভাপতি শাহ জামান নুরুল হুদাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এদিকে মর্যাদাপূর্ণ সিলেট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির গণমানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন। নির্বাচনী প্রচারণায় যেখানেই যাচ্ছেন, সেখানেই দেখা যাচ্ছে স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি। পাড়া-মহল্লা, বাজার, গ্রাম কিংবা নগরের অলিগলি সবখানেই তাঁকে ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। রবিবার সকালেও দেখা গেছে একই চিত্র। গণসংযোগ পরিণত হয় মিছিলে। প্রচারণা ঘিরে ছিল সর্বস্তরের মানুষের আগ্রহ, উচ্ছ্বাস।
বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের প্রচারণার পথে পথে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ উষ্ণ ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। পাড়া-মহল্লায় বাসা-বাড়ি থেকে বিভিন্ন বয়সের নারীরা তাঁকে ফুল ছিটিয়ে নিজেদের এলাকায় বরণ করে নিচ্ছেন। বিভিন্ন বয়সী পুরুষেরা হাত ও বুক মিলিয়ে কথা বলছেন, কেউ আবার নিজের এলাকার সমস্যার কথা তুলে ধরছেন সরাসরি। কর্মসংস্থান, দ্রব্যমূল্য, নগর ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে শিক্ষা ও চিকিৎসা—নানামুখী প্রত্যাশার কথা বলছেন ভোটাররা। এসব কথা ধৈর্য্য ধরে শুনছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ভোটারদের সঙ্গে তাঁর কথোপকথনে দেখা যাচ্ছে আন্তরিকতা।
এদিকে, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের পক্ষে প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। সকাল ১১টার দিকে নগরীর কুয়ারপার পয়েন্ট থেকে তাঁর নেতৃত্বে প্রচার মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি নগরীর কুয়ারপার, লালাদিঘীর পার, ওসমানী মেডিকেল রোড, ভাতালিয়া, মুন্সিপাড়া, মীরের ময়দান, রাজারগলি হয়ে শাহজালাল (রহ.) মাজারের সামনের গেইটে এসে শেষ হয়।
গণসংযোগে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিত ছিল। বিভিন্ন এলাকা দিয়ে যখন মিছিল এগোচ্ছিল, তখন জনসাধারণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে মুক্তাদিরের সমর্থনে স্লোগান দেন। বিভিন্ন বাসা-বাড়ি থেকে তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নারীরা।
প্রচার মিছিলে অন্যান্যের মধ্যে মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক নজীবুর রহমান নজীব, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিক, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান জাকির, কোতোয়ালী থানা বিএনপির আহবায়খ অলিউর রহমান চৌধুরী সুহেল, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা সম্রাট হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাকিল মোর্শেদ, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জোতি এষ, ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী জাহাঙ্গরীর, ১১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শেখ কবির আহমদ, আবু সাঈদ তায়েফ, আব্দুস সালাম টিপু, মিনহাজুর রহমান রাসেল, বেলায়েত হোসেন মোহন ও স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবদলসহ অঙ্গসহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।