
সিলেটের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কলার্সহোম-এর একজন শিক্ষককে বহিষ্কার (সাসপেন্ড) করার অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রতিবাদ করায় তাকে এই শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে ভুক্তভোগী শিক্ষক দাবি করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সিলেট-১ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার তিন দিন আগে স্কলার্সহোম প্রতিষ্ঠানে এক বিতর্কিত ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটির কতিপয় শিক্ষকদের বিভ্রান্ত করে নির্বাচনী প্রার্থী এম এ মোক্তাদির কে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তিনি শিক্ষকদের সাথে নির্বাচনী প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন।
উল্লেখ্য যে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষকই উক্ত আসনের নির্বাচনী ডিউটি বা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের জন্য মনোনীত ছিলেন। নির্বাচনী ডিউটিতে নিয়োজিত শিক্ষকদের সামনে প্রার্থীর এই ধরনের প্রচারণা সরাসরি নির্বাচনী আচরণবিধি ও রাষ্ট্রীয় আইনের পরিপন্থী।
উক্ত ঘটনার সময় এর তীব্র প্রতিবাদ জানান ভুক্তভোগী শিক্ষক। তিনি নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও আইনের শাসন বজায় রাখার স্বার্থে এই অনৈতিক প্রচারণার বিরোধিতা করেন। অভিযোগ উঠেছে, সেই ঘটনার জের ধরে তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে 'সাসপেন্ড' বা সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিষ্কৃত শিক্ষক বলেন "আমি কোনো অন্যায় করিনি। রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী যারা নির্বাচনী দায়িত্বে থাকেন, তাদের সামনে কোনো প্রার্থী প্রচার চালাতে পারেন না। আমি শুধু এই অনিয়মের প্রতিবাদ করেছিলাম। আজ আমাকে তার পুরস্কার হিসেবে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো। আমি এই অন্যায়ের সুষ্ঠু বিচার চাই।"
সম্পাদকঃ আব্দুল বাতিন ফয়সল
সহ-সম্পাদকঃ আব্দুল মুহিত দিদার
মোবাইলঃ ০১৭৩০১২২০৫১
sylhetexpress.net