
তাসলিমা খানম বীথি
প্রখস বই প্রথম অটোগ্রাফ যখন লেখি তখনও যে আবেগ ছিলো 2য় বই তাই ছিলো। বই দিতে গিয়ে কখনো অটোগ্রাফ লিখতে শব্দ খুঁজতে হয় না। কিন্তু কিছু আপজনরা থাকে যাদের অটোগ্রাফ লিখতে মনে হয় শব্দরা হারিয়ে যায়। কোন শব্দ দিয়ে লিখবো তাতেই কমতি হবে। তাই ভেবে 2য় বই কিছু লিখছি না। বস সাংবাদিক গল্পকার সেলিম আউয়ালের হাতে দিতে বই পৃষ্টা ধীরে ধীরে তার দৃষ্টি ভালোলাগা মুহুর্ত আটকে আছে। ভাবছি নিশ্চয় সমালোচনা করবেন। তার স্নেহ শাসন শিক্ষার্থীদের মত সবসময় মেনে নেই। এবার অবাক হলাম 2য়গ্রন্থ মায়াবিনী খোঁপার ফুল দেখা শেষ হাতে দিলে বললেন সুন্দর প্রচ্ছদ। তুমি লিখো অটোগ্রাফ কথা বলে নামাজে জন্য মসজিদে গেলেন।
বিশেষ ব্যবস্থায় আলো ফেলে সমুদ্রের জাহাজের নাবিককে দিক নির্দেশনা দেয়া মতই তিনি আলো দেন। আমার ও আমাদের বাতিঘর। যে বাতিঘরের আলো আমরা আলোকিত হই। পুরো পৃষ্টায় অটোগ্রাফ লিখে দিলেও মনে হবে আরো লিখি। বাসা যেতেই প্রথমে চাচীর সাথে দেখা তিনিও আগের মতই আমার মাবাবার খোঁজ নিলেন।
2. ডাঃ নাদিরা নুসরাত মাশিয়াত সাংবাদিক সেলিম আউয়ালের একমাত্র কন্যা। মাশিয়াত আমেরিকা থেকে দেশে আসছে দেখা হলো বাসা যেতে বলত। যাব যাব আর যাওয়া হলো না। মাশিয়াতের সাথে দেখা হতে অনেক অভিমানে বলল আপনি তো আসলেন না এখন আমি চলে যাব আসলেন।আমি বলি ব্যস্ত ছিলাম। ইচ্ছা করলে পারতেন। আমার ঝাফসা চোখে জল ছুঁয়ে যায় মাশিয়াতের কথা। নিজেকে অপরাধী মনে হলো। ভাবেনি আমাকে সে এতটা প্রত্যাশা করবে। আর কখনো এমনটা হবে না। প্রতি বছর মাশিয়াত আমেরিকা থেকে আসলেই পরিবারে সবার সাথে আমার জন্যও গিফট নিয়ে আসে। চমৎকার একটি ব্যাগ গিফট দিলো। কিছুসময় তার সাথে আড্ডা দেই। সেও আমার বইটি নিবে তার আগেই বলে দিলো ফ্রিতে বই নিবে না কারন লেখকদের বই কিনে নিতে হয়। একেই দিনে বাবা আর মেয়েকে অটোগ্রাফ লিখে দিলাম প্রিয়মুখ আমাদের ভালোবাসার সূর্যমুখি। সূর্য্যর মতই আলোকিত সফলময় হোক জীবন। গিফট জন্য ধন্যবাদ প্রিয় বড় ভাবী (আফিয়া সুলতানা ),সেঝ ভাবী ডলি সিকদার), মাশিয়াতকে এবং মেঝ ভাবী কানাডা থাকেন গিফট পেতাম। যুক্তরাজ্য থেকে আসলেন ইকবাল ভাই দেখা হতেই কুশলাদি জানতে চাইলেন। আমেরিকা তাজিম, কানাডায় নাফি, মালিহাকে মিস করছি। তাওসিফ বাসা না থাকা দেখা হলো না।
প্রাণের প্রতিষ্ঠান সিফডিয়া ও সিলেট এক্সপ্রেসে আমরা যারা কাজ করেছি প্রত্যেকেই এই পরিবারের সবার ভালোবাসা সিক্ত হই। সাংবাদিক কথাসাহিত্যিক সেলিম আউয়ালের পরিবারের সবার জন্য অনেক দোয়া ও শুভ কামনা ভালোবাসা।
তাসলিমা খানম বীথি
সিফডিয়া ও সিলেট এক্সপ্রেস।
শনিবার. 5.4.2025