
তাসলিমা খানম বীথি :
সিলেটে সাহিত্যপাড়া লেখকদের পারিবারিক ভাবে সবার কাছে এতটা পরিচিত যে তাদের বাসায় গেলেই শুধু বীথি শুনলেই চিনে ফেলেন। পীর স্যার বাসা ড্র্রইংরুমে বসতেই ভাবী কিচেন থেকেই শুনেন স্যার বলছেন বীথি আসছে। পীর স্যার সাথে রোজা যখনই দেখা হয়েছে বই খোঁজ নিতেন। বের হলে হাতে পাবেন। পরে তিনি ওমরা হজে চলে গেলেন। নিজ শহরে ফিরে সকালে যেতে বললেন।
আজ সকালে বই নিয়ে ভ্যালি সিটিতে যাই। সকালে গেলেই পীর স্যার আর প্রিয় ভাবীর সাথে মজাদার নাস্তা খেতেই হয়। এটি নতুন নয়। তার আগেও খেয়েছি। আজকে সাথে জমজমের পানি ও খেজুর ছিলো। এত মায়া করেন বলতে ভাবী বলেন মায়ার মানুষকে মায়া স্নেহ করতেই হয়। লেখক সাহিত্যিকদের খোঁজ নিলেন।
মায়াবিনী খোঁপার ফুল হাতে নিয়ে পীর স্যার বললেন কভারটি সুন্দর হয়েছে। গুনী মানুষদের সাথে যতই সময় কাটানো জীবনকর্ম নিয়ে বাস্তবচিত্র অনেক জানা অজানা শিখা যায়। আজকের সকালটি ভীষণ ভালোলাগার মুহুর্ত সাহিত্য লেখালেখি নিয়ে কিছুক্ষণ কথা হয় পীর স্যার সাথে। তিনি লেখালেখিতে সবসময় উৎসাহিত্য করেন। তাদের ভালোবাসা স্নেহ আমাকে মুগ্ধ করে। আমার 2য় গ্রন্থ বর হওয়ার আগে থেকেই কিছু প্রিয়জনেরা অপেক্ষা আছেন। আশা করি তাদের হাতেও পৌছে যাবে।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ লেখক সমাজসেবক শ্রদ্ধেয় লে.কর্নেল (অব:) এম.আতাউর রহমান পীর স্যার ও প্রিয় ভাবীসহ তাদের পরিবারের সবার প্রতি অনেক শুভ কামনা ও ভালোবাসা।